মীরসরাইয়ে আগুনে পুড়লো ১৭ বসতঘর

৫ জুন, ২০২৩ | ৫:৪৪ অপরাহ্ণ
নিজস্ব প্রতিনিধি

মীরসরাইয়ে চুলার আগুনে ছাই হয়ে গেছে ১৭ বসতঘর। রবিবার (০৪ জুন) রাত সাড়ে ১২ টার দিকে উপজেলার মিঠানালা ৭নং ওয়ার্ডের পূর্ব মলিয়াইশ গ্রামের কাজিম উদ্দিন হাজ্বী বাড়ী প্রকাশ সাধুর বাজারের মাইজ্জা সওদাগরের বাড়ীতে এই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে মীরসরাই ফায়ার সার্ভিসের ২ টি ইউনিট, সামাজিক সংগঠন দূর্বারের সদস্য ও স্থানীয়রা এসে প্রায় ২ ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। অগ্নিকান্ডে তিগ্রস্থ পরিবারগুলো হলো, মো. সবুজ, মো. হারুন, মো. সাইফউদ্দিন, জামসেদ আলম মোবারক, মো. সেলিম, মো. নজরুল, মো. ফখরুল, মো. মামুন, মো. রনি, রিফাত হোসেন, মো. নাচির, মো. আলাউদ্দিন, সাইফুল ইসলাম, নুরের ছাপা, নুর ইসলাম, ওলি আহম্মদ ও আবদুল খালেক। জানা গেছে, রবিবার রাত সাড়ে ১২ টার সময় মো. মামুনের রান্না ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে মূহুর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ওই বাড়ির ১৭ পরিবারের নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, আসবাবপত্র, ফ্রিজ, জায়গা জমির কাগজপত্র সহ পুড়ে প্রায় ৫০ লাধিক টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। পরণের কাপড় ছাড়া কিছুই রা করা সম্ভব হয়নি। অগ্নিকান্ডে তিগ্রস্থ মো. মামুন বলেন, আমার একটি গরুর খামার আছে। গরুর জন্য ঋণ নেওয়া নগদ ৭ ল টাকা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এখন বুঝতেছিনা কি করে ঋণের টাকা পরিশোধ করবো। আরেক ক্ষতিগ্রস্থ জামসেদ আলম বলেন, জায়গার বাউন্ডারি দেওয়ার জন্য ৫০ হাজার টাকা ব্যাংক থেকে তুলে ঘরে রেখিছলাম। নগদ ৫০ হাজার টাকা সহ প্রায় ৭ লক্ষাধিক টাকার মালামাল পুড়ে আমার ক্ষতি হয়েছে। দূর্বার প্রগতি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাসান সাইফ উদ্দিন বলেন, আগুনের লেলিহান শিখা দ্রæত চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। আমাদের সংগঠনের সদস্য ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরাসহ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সম হই। কিন্তু ততণে ওই বাড়ির ১৭ পরিবারের স্বপ্ন পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আমাদের সংগঠনের প থেকে তাদের জন্য নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র ও আনুষাঙ্গিক জিনিস পত্র ব্যবস্থা করা হচ্ছে। মিঠানালা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আজিম হোসেন বলেন, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি আমি চেয়ারম্যান সাহেবকে জানিয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে তাদের সহযোগিতা করা হবে। বিষয়টি নিশ্চিত করে মীরসরাই ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা ইমাম হোসেন পাটোয়ারী বলেন, খবর পেয়ে আমাদের ২টি ইউনিট গিয়ে প্রায় ২ ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। রান্না ঘরের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। তিনি আরও বলেন, অসচেতনতা এবং তীব্র তাপদাহের কারণে অনেকেই রাতে রান্না করতেছেন। এত করে একের পর অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটছে।