দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে মীরসরাই সদরে ‘কৃষকের বাজার’
রিপোর্ট
দিন যত অতিবাহিত হচ্ছে ততই নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম হুহু করে বাড়ছে। সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার নাগালের বাইরে চলে গেছে জিনিসপত্রের দাম। আর এমন পরিস্থিতির জন্য দায়ী মধ্যসত্বভোগীদের সিন্ডিকেট। আর এমন সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দিতে বেশ কিছু জনবান্ধব কর্মসূচী হাতে নিয়েছে মীরসরাই উপজেলা প্রশাসন।
সোমবার (২৮ অক্টোবর) মীরসরাই পোস্ট অফিস সংলগ্ন সবজির পসরা সেজে বসেছে। যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘কৃষকের বাজার’। এছাড়া পাশেই বসেছে ন্যায্যমূল্যে ডিম বিক্রির স্টল। কৃষকের বাজার উদ্বোধন করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রশান্ত চক্রবর্তী। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. জাকিরুল ফরিদ, কৃষি কর্মকর্তা প্রতাপ চন্দ্র রায়, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা একেএম ফজলুল হক, উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির কবির খাঁন, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী কেএম সাঈদ মাহমুদ, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শাহ আলম প্রমুখ।
এর আগে গত মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) বারইয়ারহাট ট্রাফিক মোড় চত্বরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শুরু হয় ন্যায্যমূল্যে ডিম বিক্রি। পরদিন মীরসরাই পৌর সদরের ফুটওভারব্রিজ এলাকায় ন্যায্যমূল্যে ডিম বিক্রির আয়োজন করা হয়। ন্যায্যমূল্যে কৃষকদের পণ্য বিক্রি ও ক্রেতাদের কিনতে পারার লক্ষ্যে গত বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে উপজেলা প্রশাসনের তত্ত¡বধানে, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস ও বারইয়ারহাট পৌরসভার সহযোগিতায় বারইয়ারহাট ট্রাপিক মোড চত্বরে যাত্রা শুরু করে ‘কৃষকের বাজার’।
এছাড়া দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে মীরসরাই উপজেলাব্যাপী বিভিন্ন বাজারে চলছে বাজার মনিটরিং কার্যক্রমের অংশ হিসেবে চলছে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা। যেখানে প্রতিনিয়ত বেশিদামে পণ্য বিক্র, মূল্য তালিকা সংরক্ষণ না করাসহ বিভিন্ন অপরাধে অর্থদন্ড প্রদান করা হচ্ছে।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রশান্ত চক্রবর্তী বলেন,‘সরকার কর্তৃক গৃহীত নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানোর পদক্ষেপ হিসেবে ‘কৃষকের বাজার’ চালু করা হয়েছে। এই বাজারে কৃষকরা সরাসরি তাদের উৎপাদিত পণ্য কোন মধ্যসত্বভোগীর সহায়তা ছাড়াই বিক্রি করতে পারবেন। প্রতিটি পণ্যের মূল্য আমরা এমন ভাবে নির্ধারণ করেছি যাতে কৃষকও লাভবান হয় ক্রেতারাও অপেক্ষাকৃত স্বল্বমূল্য সবজি ক্রয় করতে পারেন।’
